অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের নিয়ম জেনে নিন। অ্যালোভেরার উপকারিতা অনেক। মুখের আর্দ্রতা ধরে রাখা থেকে শুরু করে জেল্লা ফিরিয়ে দেওয়া। সবই পারে অ্যালোভেরা জেল। জেনে নিন বিস্তারিত।
ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য একাধিক উপকারী উপাদানই নিশ্চয়ই আপনি ব্যবহার করেন। নানা বিউটি প্রোডাক্টও ব্যবহার করা হয়। ত্বক ভালো রাখতে কেউ কেউ বিউটি ট্রিটমেন্ট করান, কেউ স্কিনকেয়ারে(Skin Care Tips) নজর দেন বেশি অনেকে ভরসা করেন ঘরোয়া টোটকায়।
তবে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে। যা ত্বকের জন্য খুবই ভালো। মুখের জেল্লাও যেমন ফেরায়, আবার ত্বকের নানা সমস্যাও সমাধান করে। অ্যালোভেরা হল তার মধ্য়ে অন্যতম।
আরো বিস্তারিত জেনে নিন।
অ্যালোভেরা গাছের পাতা থেকে জেল (Aloe Vera Gel) বের করে নিয়ে আপনি সেটি ত্বকে লাগাতেই পারেন। বেশ ভালো হবে। এছাড়াও
বাড়িতে অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে দুই একটি উপাদান মিলিয়ে পছন্দের ফেস সিরাম বানিয়ে নিতে পারেন। বা অ্য়ালোভেরা জেল ক্রিমও বানিয়ে নিতে পারেন।
এই অ্যালোভেরা জেল ত্বকে(Aloe Vera For Face) লাগানোর নিয়ম কী। ঠিক কোন সময়ে মুখে লাগালে বেশি উপকার পাবেন।
দিনের যে কোনও সময়েই অ্য়ালোভেরা জেল লাগানো যেতেই পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠেও যেমন আপনি অ্য়ালোভেরা জেল মুখে লাগাতে পারেন। আবার দিনের যে কোনও সময়েই এই অ্যালোভেরা আপনার ত্বকে লাগাতে পারেন। পরিষ্কার মুখেই সব সময় অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরা জেল (Aloe Vera Gel) কখন মুখে লাগালে ভালো ফল পাবেন।
প্রথমে মুখ ক্লিনজিং করে নিন। তারপর টোনার লাগিয়ে নিন। এবার অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন। সামান্য জেল নিয়ে মুখে ভালো করে মাসাজ করে নিন। ময়শ্চারাইজার হিসেবেও এই অ্যালোভেরা জেল আপনি ব্যবহার করতে পারেন। ঘুম থেকে উঠে বা রাতে শুতে যাওয়ার আগে অ্যালোভেরা ব্যবহার করুন।
অ্যালোভেরা জেল ও টি-ট্রি অয়েল মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন একটি ফেস প্যাক। এই ফেস প্যাক আপনার ত্বকের জন্য খুবই ভালো। টি ট্রি অয়েল ত্বকের নানা সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে, তৈলাক্ত ত্বকে এই ধরনের ফেসপ্যাক বেশি ভালো কাজ করে।
অ্যালোভেরা জেলে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান আছে। টি ট্রি অয়েল মুখের অতিরিক্ত তেল উৎপাদনকে নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে অ্যাকনের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
এটি কীভাবে বানাবেন তা জেনে নিন?
আপনার প্রয়োজন এক টেবিল চামচ জল। এর সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল মেশাতে হবে। ২-৩ ড্রপ টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে দিন শেষে। প্রতিটি উপাদান ভালো করে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। তা ভালো করে মুখে ও গলায় লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
অ্যালোভেরা ফেস সিরাম বানানোর জন্য আপনার প্রয়োজন আরও দুই উপাদান। গোলাপ জল ও ভিটামিন ই। গোলাপ জলে অ্যান্টি অক্সিড্যান্টস রয়েছে। ত্বকের নানা সমস্যা সমাধান করে এই গোলাপ জল। সহজেই বয়সের ছাপ পড়ে না তাই। এছাড়াও আপনার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য রক্ষা করে।
ভিটামিন ই ত্বকের জন্য যে কতটা ভালো, তা নতুন করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা সবাই কম বেশি ভিটামিন ই-এর গুণ সম্পর্কে জানি। এটি আপনার ত্বকের জেল্লা ফেরায়। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। আর অ্যালোভেরা জেলের গুণে ত্বকের। সব সমস্যাই সমাধান হয়।
কীভাবে বানাবেন?
একটি পাত্র নিন। তাতে ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল নিন। এর সঙ্গে পরিমাণ মতো গোলাপ জল মিশিয়ে দিন। অতিরিক্ত বা অল্প পরিমাণে গোলাপ মেশাবেন না। এতে মিশ্রণ পাতলা হয়ে যাবে, বা ঠিক ঠাক হবে না। এবার ভিটামিন ই ক্যাপসুলটি নিন। সেটির থেকে এক্সট্র্যাক্ট বের করে নিন। তা এই মিশ্রণে মিশিয়ে দিন। ভালো করে প্রতিটি উপাদান মিশিয়ে ফেস সিরাম তৈরি করুন। এই ফেস সিরাম মুখে লাগাতে হবে।
আপনি বাড়িতে বানানো অ্যালোভেরা জেল সরাসরি ত্বকে লাগাতে পারেন। নাইট ক্রিম হিসেবে বেশ উপযোগী এই অ্যালোভেরা জেল। বাজারচলতি অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন।
বাড়িতে বানানো অ্যালোভেরা জেলও ব্যবহার করতে পারেন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে ক্লিনজিং করে নিন। তারপর টোনার ও ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।
অ্যালোভেরা জেলে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান। যা ত্বকের ব্রণর সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে। জার্নাল অফ কনসারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি-তে প্রকাশিত গবেষণা পত্রে এই উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আছে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট উপাদান।
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।
অ্যালোভেরা জেলে আছে একাধিক উপকারী উপাদান। সুগার, লিগনিন, স্যাপোনিন, ভিটামিন, এনজাইম, মিনারেল, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো উপকারী উপাদান এতে আছে। এছাড়াও অ্যালোভেরা জেলে
ডিসক্লেইমার: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধরণ তথ্যের জন্য। এটি কোনও ওষুধ ও চিকিৎসার অঙ্গ নয়। আরও বিস্তারিত জানতে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।
এই ধরনের ইনফরমেটিভ পোস্টগুলি পেতে প্রতিনিয়ত আমাদের এই সাইটি ভিজিট করতে পারেন।
ধন্যবাদ সবাই ভালো থাকবেন।

0 মন্তব্যসমূহ